মেছতা উঠানোড় জন্য লেজার ট্রিট্মেন্ট
আমারা সবাই একটি সুন্দর মুখের আশা করি। কে না চায় তার মুখটা হক খুব সুন্দর ও লাবন্যময়। কিন্তু মেছতা সেই স্বপ্নটাকে ধ্বংস করে দেয় চিরতরে। মুখে দুইপাশে, বা কপালে, নাকে দেখা যায় এই মেশতা।আমাদের জীবনকে করে তোলে বিষাক্ত।
তাই আসুন জানি কি কারনে মেছতা হয়।কিভাবে এর থেকে মুক্তি পাবেন। বর্তমানে আমাদের দেশে মেছতার ভালো চিকিৎসা বের হয়েছে।
যা থেকে আপনি ভালো একটি ফলাফল পেতে পারেন।আপনি জেনে খুশি হবেন যে, বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসা বের হয়েছে, তা হলো লেজার ট্রিটমেন্ট।
এটি বর্তমানে সব থেকে ভালো ও স্থানীয় চিকিৎসা। লেজার ট্রিটমেন্ট থেকে আপনি মেছতার স্থানীয় সমাধান পেতে পারেন।তাই আর দুরচিন্তার কোন কারন নেই। আসুন আগে জানি। মেছতা কি।
মেছতা বা melasma কি
মেলাসমা (Melasma) একটি ত্বকের রোগ যা সাধারণত মহিলাদের হয়। এটি মাথায় এবং মুখের উপর চিহ্নিত হয়।তবে পুরুষেরও মেছতা হয়।ঢাকা মেডিকেলের স্কিন বিশেষজ্ঞ ড:কামাল হোসেন বলেন, "পুরুষ থেকে মহিলাদের বেশী হয়"।
মেলাসমার লক্ষণগুলি হল ত্বকে বেগুনি বা হলুদ রঙের ছক হওয়া এবং সাধারণত ফিশটে মিছিল বা মেঘাচ্ছন্ন ত্বক উৎপন্ন হয়।
এটি সাধারণত ত্বকের উপর ধূসর রঙের ছক উৎপন্ন করে এবং একটি সাধারণ শৈথিল হয় যা অনেক সময় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
মেলাসমা হলো ত্বকের রঙের উত্তপ্তি বা গাড়তি যা সাধারণত মহিলাদের মধ্যে বেশ কিছুই দেখা যায়। মেলাসমা কত প্রকার হবে তা সম্পর্কে বিভিন্ন কারণ হতে পারে এবং এর উপস্থিতি ও ধরণ অনুসারে বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়ে থাকে। প্রাথমিকভাবে মেলাসমা দুই প্রকারের হতে পারে:
এপিডারমাল মেলাসমা: এই ধরণের মেলাসমা ত্বকের সামান্য উপরোক্ত লেয়ারে গড়ে উঠে এবং অধিকাংশই ছাই পর্দা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডেরমাল মেলাসমা: এই ধরণের মেলাসমা ত্বকের গভীর উপরোক্ত লেয়ারে উত্পন্ন হতে পারে এবং মধ্যম ও বেশি গভীর স্তরে পর্দা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মেলাসমা সাধারণত কালো, নীল বা হলুদ রঙের হয়, তবে এর রঙের পরিবর্তন ত্বকের উত্থাপন এবং উপস্থিতির উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
এপিডারমাল মেলাসমার ক্ষেত্রে, মেলাসমার রঙ অধিকাংশই হলুদ বা নীল হয় এবং ত্বকের উপরোক্ত লেয়ারে ছাই পর্দার মতো দেখা যায়।
ডেরমাল মেলাসমার ক্ষেত্রে, মেলাসমার রঙ আকারে হলুদ বা কালোচে বেশি হয় এবং ত্বকের গভীর উপরোক্ত লেয়ারে পর্দা হিসেবে দেখা যায়।
মেছতা কোথায় কোথায় হয়?
মেছতা সাধারণত মুখের দুই পাশে হয়।নাকের উপর হয়।অনেক সমায় কপালে ও মেছতা দেখা যায়।এছাড়া হাতে, পায়ে অনেক জায়গায় এই মেছতা দেখা যায়।তবে ৯২ থেকে ৯৮ ক্ষেত্রে মেছতা মানুষের মুখে দেখা যায়।ডা:কামাল হোসেন আরো বলেন ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মানুষের মেছতা দেখা যায়।
মেছতা (melasma) হওয়ার কারন
বিদেশী একটি গবেষণায় চালায় ১০০০ মানুষের ভিতর সেখান থেকে যা পাওয়া যায়।
- সুগন্ধি জাতীয় কোন প্রসাধনী ব্যবহার হয়।
- অতিরিক্ত ক্রিম ব্যবহার করলে হয়।
- তিব্র গরমে যেমন চুলার বা অতিরিক্ত গরমে হয়।
- রোদের ক্ষতিকর রশ্নি আমাদের মেছতার জন্য প্রধান দায়ী।যারা রোদে প্রচুর কাজ করেন তাদের মেসতা বেশি দেখা যায়।
- পেগোমেন্ট বা গর্ভবতী মহিলাদের মেছতা বেশি দেখা যায়।
- জন্মনিয়ন্ত্রন পিল খেলে মেয়েদের মেছতা দেখা যায়।
- অনেক সময় বড় কোন রোগ থেকে সেরে ওঠার পর মেছতা হয়।
- আবার অনেক সময় ওষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মেছতা হয়।
মেছতা(melasma) হলে কি করব?mesta hole ki kore sarabo?
ডঃকামাল হোসেন বিলেন ,মেছতা সধারনত মেয়রা বেশি আসেন।তিনি বিলেন মেছতার চিকিৎসা অনেক কিছু ভেবতে হয়।কারন প্রত্যেক ব্যক্তি স্কিন এক না ,এক জন থেকে আর একজন আলাদা হয়ে থাকে।আমাদের বয়স ও তার স্কিনের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা দিতে হয়।
তিনি আরো বলেন,মেছতা কি কারনে হইছে সেটা ,মোট কথা রুগির হিস্টোরি জেনে চিকিৎসা দিতে হয়।রুগিকে প্রথমে আমারা কীছূ খাওয়ার ওষূধ ও ক্রিম (cream) দিয়ে থাকি।
সব থেকে গুরুতপূর্ন ব্যপার হলে মেছতার রুগিকে একটি ভালো সানস্কিন ব্যবহার করতেই হবে।
সানস্কিনের(sunscreen) ব্যবহারর নিয়ম
সানস্কিন দিন ১০ টার পরে ঘর বা বাসা থেকে বের হওয়ার ১৫ মিনিট আগে আপোনার মুখে ব্যবহার করতে হবে।এটির কাজকরম তিন ঘন্টা দিয়ে থাকে।এমন কি আপনি যদি রান্না করতেও যান তাহলে আপনাকে সানস্কিন ব্যবহার করতে হবে।
তিনি আরো বলেন ,এরকম অনেক রুগি [পাওয়া যায় যাদের কোন কিছু করেই আর মেছতা ভালো হোয় না।অনেক সময় ক্রিম দিলে মুখ লাল হয়ে যায়,পরে আরো বেশী মেছতা দেখা যায়।তেবে হতাস হওয়া কীছূ নেই ।বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসা বের হয়েছে।যেটা কোরে আপনি চিরমুক্তি পেতে পারেন।
কখন লেজার ট্রিট্মেন্ট করবেন?
লেজার ট্রিট্মেন্ট আধুনিক ও অত্যাধুনিক জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশে এখন এটি দিয়ে চিকিৎসা করছেন।তবে এখানে আপনাকে প্রথমে একটি ভালো ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।তার পরার্মশ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।যদি ডাক্তার মনে করেন যে আপমাকে লেজার করাতে হবে ,তাহলে আপনি করাতে পারেন।
ডঃকামাল স্যার বলেন ,আমারা রোগিকে আগে পুরিক্ষা করে দেখ সাধারন আমারা মেডিসিন দিয়ে যদি তোলা যায় তাহলে আর লেজার করাই না।এর পরে যদি মনে করি যে লেজার করালে ভাল হয় তাহলে আমারা লেজার করাই।
তিনি আরো বলেন ,এ ক্ষত্রে কয়েকটি সেশনের প্রয়োজন হতে পারে।মাঝে মাঝে ৬ থেকে ৭ /৮ টি সেশন লাগতে পারে।
লেজার চিকিৎসা কেনো করাবেন?
লেজার চিকিৎসা সব থেকে সুবিধা হলো,
কোন প্রকার কাটা ছেরা নেই।
রক্ত পাত নেই
ব্যথা নেই বলেই চলে।
লেজার চিকিৎসা পর পরি সে বাসায় চলে যেতে পারে।
তেমন কোন ওষুধ খেতে হয় না।
খুব তারা তারি সুস্থ হওয়া যায়।
স্থায়ীভাবে রোগ সেরে উঠে ।
পোস্ট ট্যাগঃচিরতরে মেছতা দূর করার উপায়,মেছতা দূর করার ক্রিমের নাম,পুরুষের মেছতা দূর করার ক্রিম,মেয়েদের মুখের মেছতা দূর করার ক্রিম,লেজার ট্রিটমেন্ট এর খরচ কত বাংলাদেশে,তৈলাক্ত ত্বকের মেছতা দূর করার উপায়,মেছতা দূর করার ফেসওয়াস,মেছতা দূর করার ঘরোয়া উপায়
লেজার চিকিৎসা কিছু অসুবিধা আছে
লেজার ট্রিট্মেন্টে টেমোণ কোন অসুবিধা নই বলেই চলে।তবে যদি আপনি অদক্ষ চিকিৎসক দিয়ে লেজার করান ,সে ক্ষেত্র আপনি ক্ষতির সমুক্ষিন হতে পারেন।যার কাজের হাত যত ভালো ,তার কাছ থেকে ভালো ফিড ব্যাগ পাবেন।
এছাড়াও আর একটি বিষয় থাকে সেটা হোলে ,মেশিন।অনেক সময় দখা যায় ,ভালো দক্ষা চিকিৎসক হওয়া সত্তেও ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না।তাই এই ক্ষেত্র মেশিন কেমন ,ভালো না খারাপ সেটা দেখতে হবে।তাই পরামর্শ থাকবে ,যে কোন ভালো ক্লিনিক থেকে করানো।
আর খারাপ দিক হলো ,লেজার করাতে অনেক টাকা লাগে।তবে মনে রাখতে হবে ভালো কিছু পাওয়ার জন্য টাকা কোন বিষয় না।অন্যান্য দেশ থেকে আমাদের দেশে টাকা বেশি না।
সব শেষে বলব,আপনি ভালো কোন ক্লিনিক ও ভালো ডাক্তার কাছ থেকে করান।
